হাংরি আন্দোলন রচনাসংগ্রহ

Thursday, 25 July 2019

রাজা সরকার-এর কবিতা

প্রস্তর যুগ
বাকরুদ্ধ সময় নিয়ে লোফালুফি খেলছি। শিলনোড়ার ঘর্ষণে গুঁড়িয়ে দিচ্ছি পরিসর। শাবকের কান্না আর শোনা যায় না। উল্লাসের গাঢ় প্রত্যয় মিশে যাচ্ছে ঘামে। নীল ঘাম । মুছে নিচ্ছি রুমালে। পাথরের আঘাতে চৌচির আয়না, তার সামনে আর্তকে বসিয়ে রেখেছি খুরের উপর। রসিকতা এখন ভালো লাগে। ভালো লাগে নিমফুল, ভালো লাগে কান্নাজাত মাংসের ঘ্রাণ।
শরীর বিক্রি হয়ে গেছে অনেককাল আগে। রূপকথার ভেতর শুয়ে থাকতে দেখা গেছে তোমায়, তাও অনেককাল আগে। এখনও অন্ধকারের কিছু বাকি। এখনও প্রলম্বিত সময়ের শাঁস থেকে গড়িয়ে নামছে প্রসাধন। আকাঙ্ক্ষার চোখ থেকে ঝরছে ভাষা, এক পাথরের ভাষা। হায়, এখন আর তোমাকে নিয়ে পালানোরও কেউ নেই।
অতি-সত্য আজ বাতাসে উড়ছে। বাতাসে উড়ছে চুল, উড়ছে বিজিত ওড়নার নিশান। সাম্রাজ্যের লীলাভূমির এই বাতাস তবু যেন খুঁজছে তোমাকে । ভালোবাসার সকল পরীক্ষা বিফল হয়েছে। চুম্বনের আশ্রয় অবিশ্বাস্য হয়ে গেছে। এখন আর কোনো সমস্যা নেই । এ-সব এই নতুন সময়ের অর্জন। পাথরের কাছে কেউ পরাজিত কি না, এ প্রশ্ন আজ অবান্তর। প্রস্তর যুগই যে এখন শেষ কথা।
কয়েকটি দৃশ্য-পতনের পর
৯
কর্তিত ঠোঁট থেকে শুধু রক্ত ঝরে ভাষার
শরীর শরীর, শরীর ছাড়া উপমা নেই আর ?
নৃশংসতাতো এক চেনা শৈশব, তবু তার স্তুতিতে
নিমগ্ন হে ইতিহাস, এই অপ্রস্তুত শরীরে আবার
ভালবাসা কেন?

১০
অন্নজলে আর ছায়া পড়ে না মানুষের
শুধু ক্যামেরা ক্যামেরা আর ক্যামেরা
শুধু ফ্ল্যাশ ফ্ল্যাশ আর ফ্ল্যাশের লীলা।

১১
বিষবাস্পে কিছু কিছু গন্ধ থেকেই যায়
সেই সকল গন্ধ আর জবাকুসুম পৃথক কিছু না।
হত্যালীলার নিহিত তালে
হাততালি দিতে আর বলে দিতে হয় না কাউকে যে
গন্ধফুলজাত বলিষ্ঠ সন্তানেরা পৃথিবীর ভবিষ্যৎ।

১২
হায়নাদের পৃথিবী বলে কিছু হয় না, মানুষের পৃথিবী বলেও অবিশ্বাস্য কিছু কথা তবু কেন যে হয় ।
রোদে পোড়া করোটি বলে আদরণীয় কিছু হয় না। মানুষের মহত্ব নিয়ে হাস্যরসের খেলা পৃথিবীতে কেউ খেলেনি কখনো—এ কথা বিশ্বাসও করা যায় না।
দাবীপত্রের সঙ্গে একমত হওয়ার কথা বলা হয় বারবার, আর হলেও সেটা যে এক ও ঐক্যের শ্বাসরোধী ঠাট্টা ছাড়া অন্য কিছু হতে পারে—এ কথাও আর বিশ্বাস হয় না।
তবু ঐক্য আর উন্নয়ন নিয়ে শপিং মলগুলো গলিত লাভা সঞ্চয় করে চলেছে। তুমি হাত বাড়াও,গলা বাড়াও, ট্রায়াল রুম থেকে বেরিয়ে আসার চাবিটি তুমি পেয়ে যাবে অচিরাৎ।
১৩
পোড়া মাটির কথা শোনা গেছে আগে। এখন আর পোড়া মাটির কথা শোনা যায় না। তবে কুমারী মাটি, এয়োতি মাটি, বিধবা মাটি ইত্যাদি অভিধা দিয়ে মাটির লিঙ্গ নির্ধারণ করে মাটিকে নারীত্ব প্রদান করা হয়েছে। বীর ভোগ্যা বসুন্ধরা বলে নারী মাটিকে কে একপ্রকার গৌরব প্রদান করা হয়েছে । ফলে ইহা খুব মূল্যবান ‘জোর যার মুলুক তার’ হিসেবে চিহ্নিত এখন।
কিন্তু এর মধ্যে ‘লাঙল যার মাটি তার’ শুধু লজ্জায় অধোবদন হয়ে সেই যে ক্ষেতের ধারে বসে পড়লো, সে আর উঠে দাঁড়ালো না।
১৪
এক অঙ্কুরিত বীজের সঙ্গে দেখা হলো। নাড়ি ছেঁড়া রক্তের দাগ তখনও মুখে তার। আমি জানালা খুলে তার জন্য একটু আকাশ চাইলাম, আমি দরজা খুলে তার জন্য কিছুটা সমুদ্র চাইলাম। আমি তার জন্য বাতাস চাইলাম একটু জল চাইলাম একটু মধু চাইলাম। আমি তার জন্য আরো অনেক অনেক কিছু চাইলাম---অবশেষে তার জন্য এক মিনিট নীরবতাও চাইলাম।

এভাবেই একটি বীজের গল্প হারিয়ে গিয়ে শুধু বেঁচে থাকলো।
১৫
বেঁচে থাকার অনেক পথ আছে। সব পথ বন্ধ হয়ে গেলেও প্রস্তরীভূত হয়ে বেঁচে থাকতে পারো।
আসলে প্রস্তর মানুষের থেকে প্রাচীন। তার অভিজ্ঞতা অনেক বেশি।তার স্বভাবে যে একটা মাতৃভাব আছে সেটা মানুষ সেদিন জানলো। আর জানার পর থেকেই এই মাতৃগাত্র খোদাই করে চিঠি লিখলো সে মৃত প্রেমিকার উদ্দেশ্যে। চিঠি লিখলো অনাগত গাড়োলদের উদ্দেশ্যে, কিংবা সকল পরাজয় আর অপমান গোপন করে চিঠি লিখলো ঈশ্বরের কাছে।

সমাস-গুচ্ছ।
১
দেখো কেমন দম ফেলার সময় দেয়া হচ্ছে না তোমায়।

দুর্ভিক্ষের নীরবতাগুলোতে প্রকৃতই প্রেমের তেমন অভাব হয় নি।এটাই অভিজ্ঞতা যে জন্মের পর থেকে এই মাইল মাইল পেরিয়ে যাওয়া সংসারের বকুল বিছানো পথ, সেখানে ছড়ানো বিপ্লবের ঠাসা কর্মসূচির মত আধুনিকতা। যাও, এগিয়ে যাও, ফেরার নাম করো না।
শরীরে ফুল ফুটেছিলো মানুষের, শরীরে ঘুণও ধরেছিল। তাই নিয়ে একদিন এই নরকে এসেছিল তারা, বহুকাল আগে---
নরকসাক্ষী এই পৃথিবীতে সকলেই অনাহুত, কারোর কোনো আমন্ত্রণ থাকে না হে জাতক—তুমি ঘুমোও।
২
যারা একদিন বিষ ভাগ করে খেয়েছিল তারা অচেনা, যারা একদিন ইতিহাসকে সমুদ্রে নিক্ষেপ করতে বলেছিল, শিখিয়েছিল ইতিহাস ছাড়া বেঁচে থাকার অভ্যেস, তারা খুব চেনা----
আক্ষেপ করে বলেছিল কেন দেশগুলোকে এখনও রোবট শাসকের হাতে তুলে দেয়া হয়নি—
তারা আজ মৃতদেহগুলো দেখে খুশি হতে পারে।

৩
এই ক্ষতস্থান থেকে একদিন বসন্ত ঋতু উড়ে গেল, আমি বললাম পূবে যাও, বললাম পশ্চিমে যাও, আকাশ মন্থন করে যদি পার একটুখানি নরকের দিকে যাও।
বসন্ত ঋতু কোথাও গেল না।
চোখ বুঝে সহস্র বছরের ছাল চামড়া খুলে একদিন দিগন্তের দিকে ছুঁড়ে দিলাম, বললাম, যাও, যেদিকে খুশি যাও।
সেও কোনোদিকেই গেল না, বললো, তিষ্ঠ বসন্ত এখানেও আসবে।
৪
সেদিন অন্ধকার ছাদে হাল্কা আগুন নিয়ে নর নারীরা খেলছিল বলে আমাকে কেউ খেয়াল করে নি।
কিছুই না, আমি শুধু প্রেম কে বলেছিলাম মিথ্যা, রাত বারোটার পর মিথ্যেরা এসে জানিয়ে দিল আমরা পালাচ্ছি। আমি দেহকে কিছু বলিনি, বরং দেহের বর্ণনাকে ক্লিশে বলেছিলাম।
রাত একটার পর দেহ এসে ঝাঁপিয়ে পড়লো, বললো, আমাকে মিথ্যে বলো, মিথ্যে বলো, আমি আর পারছি না।
আমি রাষ্ট্রকে মিথ্যে বলেছিলাম, ঈশ্বরকে মিথ্যে বলেছিলাম, আমি আমাকে এক মিথ্যের মতই সনাক্ত করেছিলাম,
কারণ এটুকুই সত্য ছিল সেদিন।

৫
আমি এক নারীর আঁচল ধরে পালিয়ে এসেছি এই অরণ্যে। পালিয়ে এসেছি শব্দচুর্ণের যাবতীয় কুহক থেকে।
এখানে আমি নৈঃশব্দ্যকে গিলে যাচ্ছি প্রতি ঢোকে, কিংবা নৈশব্দরা আমাকে। তবু এত নৈঃশব্দ্য যে আমি নারীর আঁচলে মুখ ঢেকেও রেহাই পাচ্ছি না।

মনে হয় পৃথিবীতে যুদ্ধক্ষেত্র বলে আলাদা আর কিছু নেই। ফলে যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালানোরও কিছু নেই। বরং নীরবেই বুঝে যাই আমরা আসলে যুদ্ধের জামিন সম্পদ, পরিব্যাপ্ত আছি সীমার মধ্যেই
আমাদের মৃত্যুও শুধু সময়ের ব্যাপার।
৬
এই পরিভ্রমণে চলো যাই দেখে আসি যারা একদিন বিষ ভাগ করে খেয়েছিল---যারা একদিন বাতিল শব্দ-বর্ণের স্তূপ থেকে তুলে এনেছিল সদ্যজাত---দেখেছিল শুধু নিষ্ঠুরতার গৌরব টুকুই থেকে যায় পৃথিবীতে---দেখেছিল মৃত্যুপরোয়ানার ছায়া কেমন সুনিবিড় হয় কোনো কোনো পৃথিবীতে---

হে মতান্ধ সময় করবীফুল এই দগ্ধ সময়ে কেন ফোটে বলতে পারো !

স্মৃতিকোষের আঁধার থেকে----

১
ভিক্ষালব্ধ দানাপানি নিয়ে ঘরে ঢোকো আর ভুলে যাও। গোপনে স্মৃতিকোষ রক্তশূন্য করে ফেল। বাঁচা, শুধু বাঁচা ছাড়া পৃথিবীতে আর কোনো স্লোগান থাকার কথা না। তবু আছে। কে কী ভাবে বাঁচবে এর কোনো গাইড লাইন থাকার কথা না। তবু আছে। দুঃখের জন্য সান্ত্বনা আছে, শোকের জন্য শোকসভা আছে। এগুলো থাকার কথা নয়। কেউ কেউ বলছেন পৃথিবীটা একটা নরককুন্ড হয়ে গেছে। যুগে যুগে অনেকেই বলেছেন। যদিও এসব বলার কথা নয়। দেশে মন্বন্তর থাকলেও রাষ্ট্রীয় ভোজসভাগুলি নিয়ে বা অনাহারী কৃষকের আত্মহত্যা বিষয়ে বক্তৃতায় গণতন্ত্রের গূঢ় ব্যাখ্যা প্রদান অনুষ্ঠান এখনও হয়। অথচ এগুলো না হওয়ারই কথা। বিজ্ঞাপনে খাদ্য উদ্বৃত্ত হতেই পারে। বিজ্ঞাপনে উদ্বৃত্ত প্রোটিন আর সুস্বাস্থ্যের শৈশব আর দেশপ্রেমী মাখনের গল্প চোখে পড়তেই পারে। খবরে সন্তাপী মায়ের নিহত সন্তানের জন্য সামান্য খাবার নিয়ে বসে থাকার ছবি থাকতেই পারে। কারণ এ-সবই দেশ ও দশের প্রতিভাদীপ্ত খেলা । এ-সবই দেশমাতৃকার দশ সন্তানের সমবেত বন্দীশ। শুনতে শুনতে ঘরে ঢোকো ভিক্ষুক, আর ভুলে যাও। গোপনে শুধু স্মৃতিকোষ রক্তশূন্য করে ফেল ।
২
মৌতাত, কিছু মানুষ সবসময়ই দূর থেকে দেখেছে। কাছে ঘেঁষতে পারে নি। কিছু মানুষ বুঝে গেছে মৌতাত তাদের জন্য নয়। বরং বলা ভাল মৌতাতে মজে থাকা মানুষের একটা আলাদা জাত আছে। বরং আরো বলা ভাল যে মৌতাতে মজে থাকা মানুষের একটা পৃথক পৃথিবী আছে। শোনা যায় পৃথিবীর সকল সুগন্ধ নাকি এই মৌতাত থেকেই জন্ম লাভ করেছে। আরো শোনা যায় একদিন এক বাল্যকাল নাকি সেই গন্ধে উন্মত্ত হয়ে মৌতাতে ঢিল মেরেছিলো আর তারপর থেকেই উন্মত্ততা’ শব্দটি জেগে উঠলো আর বৃষ্টির মত ভূ-পৃষ্টের বুকে আছড়ে পড়তে লাগলো আর যাত্রা শুরু হলো এক রক্তস্নান পর্বের---যা ক্রমে বিশুদ্ধ থেকে বিশুদ্ধতর এক ধর্মের নদীতে ক্রমে মিশে যেতে থাকলো।

৩
নিজের সঙ্গে নিজের যুদ্ধের ফলাফল কী কী হতে পারে এই বিষয়ে আমাদের কোনো ধারণা নেই অথবা কোনো ধারনা ছাড়া আমরা দিব্যি সারাজীবন ওষুধ খেয়ে খেয়ে হামাগুড়ি দিতে দিতে একটি কবিতা কিংবা কল্পিত নরকের দিকে যেতে যেতে অথবা অনেকেরই জানা নেই এমন কিছু ঘাসগুচ্ছের কাছে একদন্ড বসে থাকার কথা ভাবতে ভাবতে দেখে নিতে পারি যে বেলা কত হলো অথবা যারপর নাই অনেক আহ্লাদী কথার আশায় একা একা অথবা ট্রেন মিস করে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকা এক অনন্তকালের সঙ্গে সেঁকো বিষের সহজলভ্যতার বিষয়ে দু’চার কথা--- ।

৪
মধ্যপ্রাচ্য থেকে তুমি ছাই আনো। আর আমাদের এই প্রাচ্য ভূমি থেকে আনো অবিশ্বাস ।অস্ত্রের গৌরব নিয়ে ধাবমান এই পৃথিবীতে তুমি আরো একবার বিশ্বাসঘাতকতা করো। মাটি-চাপা সভ্যতার কিছু কথা হয়তো এখনও বাকি আছে। তবে সেগুলোও অনিঃশেষ কিছু নয়। জলে বিষ দেবে দাও। আমরা বিষজলই পান করি আজ। পৃথিবীর গৌরবহীন কথাগুলি বিষজলেই প্রসব করুক আরো বিষ।

এখনও আমাদের ভালবাসায় সঙ্গে জড়িয়ে আছে যুদ্ধবিদ্যা। পরিত্যক্ত আঁচলে এখনও লেগে থাকা জন্মগন্ধ থেকে শুধু মিথ্যাকে সরাতে পারিনি বলে মিথ্যাকেই ভালবেসেছি। যুদ্ধে জয়ী হয়েছে কেউ কেউ, কিন্তু যুদ্ধকে জয় করেনি কেউ।
একদিন এই ছায়ায় বসে দেখেছি পিপাসার ভেতর এক রক্তপিপাসার বীজ।একদিন এই ছায়ায় বসে শুনেছি রক্তবৃষ্টির প্রার্থনা।একদিন এই জল স্থল অন্তঃরীক্ষ থেকে রক্তবৃষ্টি হলে প্রমাণ হবে মর্গের স্থপতি ঈশ্বরেরা আসলেই মিথ্যে নয়।








Posted by মলয় রায়চৌধুরী at 06:04
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest

No comments:

Post a Comment

Newer Post Older Post Home
Subscribe to: Post Comments (Atom)

হাংরি জেনারেশন সম্পর্কিত প্রামাণ্য গ্রন্হ

হাংরি জেনারেশন সম্পর্কিত প্রামাণ্য গ্রন্হ
Publisher : Prativash, 18A Gobinda Mandal Road, Kolkata - 2, India

The Hungryalists

The Hungryalists
Publisher : Penguin Random House

Translate

Total Pageviews

Blog Archive

  • ►  2023 (26)
    • ►  September (1)
    • ►  August (3)
    • ►  July (10)
    • ►  May (9)
    • ►  March (1)
    • ►  February (1)
    • ►  January (1)
  • ►  2022 (28)
    • ►  December (3)
    • ►  November (1)
    • ►  October (12)
    • ►  September (2)
    • ►  August (6)
    • ►  May (3)
    • ►  January (1)
  • ►  2021 (4)
    • ►  May (3)
    • ►  February (1)
  • ►  2020 (5)
    • ►  October (1)
    • ►  May (3)
    • ►  April (1)
  • ▼  2019 (35)
    • ►  November (1)
    • ►  October (3)
    • ▼  July (31)
      • মলয় রায়চৌধুরীর কবিতা
      • মলয় রায়চৌধুরীর কবিতা
      • মলয় রায়চৌধুরীর কবিতা
      • আলো মিত্র-র কবিতা
      • ত্রিদিব মিত্র-র কবিতা
      • সুবিমল বসাক-এর কবিতা
      • শম্ভু রক্ষিত-এর কবিতা
      • দেবী রায়-এর কবিতা
      • অরুণেশ ঘোষ-এর কবিতা
      • ফালগুনী রায়-এর কবিতা
      • শক্তি চট্টোপাধ্যায়-এর কবিতা
      • উৎপলকুমার বসু-র কবিতা
      • শৈলেশ্বর ঘোষ-এর কবিতা
      • সমীর রায়চৌধুরীর কবিতা
      • বিনয় মজুমদার-এর কবিতা
      • অরুণেশ ঘোষ-এর কবিতা
      • শৈলেশ্বর ঘোষ-এর কবিতা
      • বিনয় মজুমদার-এর কবিতা
      • শম্ভু রক্ষিত-এর কবিতা
      • সুভাষ ঘোষ-এর কবিতা
      • করুণানিধান মুখোপাধ্যায়-এর কবিতা
      • প্রদীপ চৌধুরীর কবিতা
      • উৎপলকুমার বসুর কবিতা
      • নিত্য মালাকার-এর কবিতা
      • সমীর রায়চৌধুরীর কবিতা
      • সুবিমল বসাক-এর কবিতা
      • রাজা সরকার-এর কবিতা
      • ফালগুনী রায়-এর কবিতা
      • অরণি বসু-র কবিতা
      • সমীরণ ঘোষ-এর কবিতা
      • বাসুদেব দাশগুপ্ত : এয়ার কণ্ডিসানড দেবতা
Simple theme. Powered by Blogger.