দেবীরা এখানে আসেন
-এই নদীর সঙ্গে সহবাস হয়েছে অরুণেশ?
-আমি আবিষ্কার করেছি জলের নাভিদেশ!
-কোথায় তোদের সন্তানেরা, এতো শুধু বালি আর বালি!
-অগুন্তি সন্তানকে খেয়ে ফেলেছে তাদের মা আর
বাকি কয়েকজনকে আমি
-বাহ্ এই কি বাবা-মায়ের দায়বদ্ধতা, করণীয়?
-যদি আমরা ওদের গ্রাস না করতাম, ওরা আমাদের
একদিন না একদিন কুরে কুরে খেয়ে নিতো!
-এই নদীর সঙ্গে সহবাস হয়েছে অরুণেশ?
-আমি আবিষ্কার করেছি জলের নাভিদেশ!
-কোথায় তোদের সন্তানেরা, এতো শুধু বালি আর বালি!
-অগুন্তি সন্তানকে খেয়ে ফেলেছে তাদের মা আর
বাকি কয়েকজনকে আমি
-বাহ্ এই কি বাবা-মায়ের দায়বদ্ধতা, করণীয়?
-যদি আমরা ওদের গ্রাস না করতাম, ওরা আমাদের
একদিন না একদিন কুরে কুরে খেয়ে নিতো!
নদীর বাতাস এসে ডেকে তোলে আস্তাকুর থেকে
ভোররাত্রিবেলা
দেবীরা এখানে আসেন আর আসে ঘেয়ো পাগলেরা
সস্নেহে বুলায় হাত শিশ্নে ও শ্মশ্রুতে, জলে ও জ্যোৎস্নায় মিশে
সুদূর উর্বশী
হাসে, বলে, হাজার লক্ষ-কোটি ধর্ষণ আমি
আত্মস্থ করেছি
দেবীর পাগলজাত শিশু কেঁদে ওঠে, যে-কোন এক মানবীর স্তন পেতে চায়
তখনই কাকেরা কা কা ক’রে ডেকে ওঠে, পূর্ণিমার চাঁদ অস্ত যায়!
-তুইও কী তাদেরই একজন নোস্, মিথ্যা, অসম্ভব?
-আমার জন্মের সময় মা ছিলেন শব
-তুইও কী পাগলের ঔরসজাত, মেনকা অথবা উর্বশীর?
-আমাকে কুড়িয়ে পায়, পেয়ে ঘেন্না হয় গ্রাম্য রমণীর
-তবু তো তোকে সে দিয়ে গেছে স্তন
-আজ নদী এসে বলে গেল, খুন ও ধর্ষণই করতে হবে, চল্
-চুপ কর্ মাতৃগামী, পিতৃহন্তারক…
-শান্ত হও। ঐ দেখো জলাশয়ে প্রশ্নকর্তা বক…
যে তুমি, আমাকে পাঠালে পাগলদের ধারা ধরে … লও নমস্কার
যে তুমি, একই যোনিতে জন্ম ও উপগত শিখিয়েছো … ধরো বেদনা আমার
যে তুমি, দেবীদের এনেছো ডেকে, পাগলকে ঘুমহীন স্বপ্ন দিলে ধার
যে তুমি, আমাকে স্বাধীন করলে, অনুমতি দিলে, একই নদীতে স্নান করবার
যে তুমি, সময় কিংবা সময় হীনতা, আমার ও নদীর নাও—আনত প্রণাম!
এবার রাক্ষসী
এবার রাক্ষসী এসে ভাত খাবে রাত্রির শেষ অন্ধকারে
এবার রাক্ষসী এসে খুলে রাখবে পরচুলা ,মুখোশ ও দাঁত
তাকাবে ঘুমন্ত স্বামী পুত্র কন্যাদের দিকে ,উদ্গত বমি চেপে
থুতু ফেলবে ,দেবে অভিশাপ ....
আমি তাকে ডেকে উঠবো ফিসফিস ,মদিরাক্ষী পিসি
পেচ্ছাপ করতে যাব ,একটু দাঁড়াও তো দেখি
চমকে উঠে স্তব্ধ হবে ,তুই ঘুমাস নি সারারাত ?
আকাশের একটি তারা তো চিরকাল জেগে থাকে অপেক্ষায়
রাক্ষসী ফেরে কিনা আর !
হায় ,রাক্ষস পোশাক ছেড়ে মানুষী পোশাকে সে
যে মুহূর্তে যেতে চেয়েছিল আমকে জাগ্রত দেখে ,
সে -পোশাকও বাঁ পায়ে সরিয়ে দেয়
জ্বলন্ত মোমের নগ্ন ধ্বস্ত নাভিদেশ
কাছে এসে ঝুঁকে বলে ,চল ,বাকিটুকু করে আসি শেষ ...
ভোররাত্রিবেলা
দেবীরা এখানে আসেন আর আসে ঘেয়ো পাগলেরা
সস্নেহে বুলায় হাত শিশ্নে ও শ্মশ্রুতে, জলে ও জ্যোৎস্নায় মিশে
সুদূর উর্বশী
হাসে, বলে, হাজার লক্ষ-কোটি ধর্ষণ আমি
আত্মস্থ করেছি
দেবীর পাগলজাত শিশু কেঁদে ওঠে, যে-কোন এক মানবীর স্তন পেতে চায়
তখনই কাকেরা কা কা ক’রে ডেকে ওঠে, পূর্ণিমার চাঁদ অস্ত যায়!
-তুইও কী তাদেরই একজন নোস্, মিথ্যা, অসম্ভব?
-আমার জন্মের সময় মা ছিলেন শব
-তুইও কী পাগলের ঔরসজাত, মেনকা অথবা উর্বশীর?
-আমাকে কুড়িয়ে পায়, পেয়ে ঘেন্না হয় গ্রাম্য রমণীর
-তবু তো তোকে সে দিয়ে গেছে স্তন
-আজ নদী এসে বলে গেল, খুন ও ধর্ষণই করতে হবে, চল্
-চুপ কর্ মাতৃগামী, পিতৃহন্তারক…
-শান্ত হও। ঐ দেখো জলাশয়ে প্রশ্নকর্তা বক…
যে তুমি, আমাকে পাঠালে পাগলদের ধারা ধরে … লও নমস্কার
যে তুমি, একই যোনিতে জন্ম ও উপগত শিখিয়েছো … ধরো বেদনা আমার
যে তুমি, দেবীদের এনেছো ডেকে, পাগলকে ঘুমহীন স্বপ্ন দিলে ধার
যে তুমি, আমাকে স্বাধীন করলে, অনুমতি দিলে, একই নদীতে স্নান করবার
যে তুমি, সময় কিংবা সময় হীনতা, আমার ও নদীর নাও—আনত প্রণাম!
এবার রাক্ষসী
এবার রাক্ষসী এসে ভাত খাবে রাত্রির শেষ অন্ধকারে
এবার রাক্ষসী এসে খুলে রাখবে পরচুলা ,মুখোশ ও দাঁত
তাকাবে ঘুমন্ত স্বামী পুত্র কন্যাদের দিকে ,উদ্গত বমি চেপে
থুতু ফেলবে ,দেবে অভিশাপ ....
আমি তাকে ডেকে উঠবো ফিসফিস ,মদিরাক্ষী পিসি
পেচ্ছাপ করতে যাব ,একটু দাঁড়াও তো দেখি
চমকে উঠে স্তব্ধ হবে ,তুই ঘুমাস নি সারারাত ?
আকাশের একটি তারা তো চিরকাল জেগে থাকে অপেক্ষায়
রাক্ষসী ফেরে কিনা আর !
হায় ,রাক্ষস পোশাক ছেড়ে মানুষী পোশাকে সে
যে মুহূর্তে যেতে চেয়েছিল আমকে জাগ্রত দেখে ,
সে -পোশাকও বাঁ পায়ে সরিয়ে দেয়
জ্বলন্ত মোমের নগ্ন ধ্বস্ত নাভিদেশ
কাছে এসে ঝুঁকে বলে ,চল ,বাকিটুকু করে আসি শেষ ...
এবার রাক্ষসী এসে চুমু খাবে ,শুষে নেবে ,ঠোঁটে রক্ত
চোখ ভরা জলে
কালো গর্ত হয়ে যাওয়া মৃত তারকারে ।
জন্মান্ধ প্রতিনিধি
আত্মপ্রকাশে যারা লজ্জা পেয়েছে,যাদের চেতনা জুড়ে ভয়
আত্মহত্যায় যারা মুক্তি লজিজ খুঁজেছে, হতভাগ্যদের সমস্ত পরাজয়
শুষে নিয়েছে মাটি,আমার জন্ম-চিৎকারে তার ঘুমন্ত বমন!
যে নীচে থেকে জায়-সে যাপন করে এসেছে অনেক জীবন
যত কুৎসিত আজ উজ্জ্বল হয়ে উঠল, দোমড়ানো আত্মা, অর্থহারাগতি
শুক্র থেকে সরাসরি ছুটে এসেছে হারিয়ে যাওয়াদের জন্মান্ধ প্রতিনিধি
চোখ ভরা জলে
কালো গর্ত হয়ে যাওয়া মৃত তারকারে ।
জন্মান্ধ প্রতিনিধি
আত্মপ্রকাশে যারা লজ্জা পেয়েছে,যাদের চেতনা জুড়ে ভয়
আত্মহত্যায় যারা মুক্তি লজিজ খুঁজেছে, হতভাগ্যদের সমস্ত পরাজয়
শুষে নিয়েছে মাটি,আমার জন্ম-চিৎকারে তার ঘুমন্ত বমন!
যে নীচে থেকে জায়-সে যাপন করে এসেছে অনেক জীবন
যত কুৎসিত আজ উজ্জ্বল হয়ে উঠল, দোমড়ানো আত্মা, অর্থহারাগতি
শুক্র থেকে সরাসরি ছুটে এসেছে হারিয়ে যাওয়াদের জন্মান্ধ প্রতিনিধি
এইমাত্র দেয়াল থেকে বেরিয়ে এল যে বৃদ্ধ সকালবেলার কুয়াশায়
ফিসফিস করে বলে, বিজয়ীদের দেখেছি আমি একদিন মাতাল অবস্থায়
এসছিল পরাজিতরাও, দু-পক্ষই পালন করে গেছে আগুন ও অন্ধকার
দু-পক্ষই মেয়েদের কাছে গেছে, সেই পানশালা ও স্নানাগার
দরিদ্র মদ কিছুটা বিষণ্ণ হলে বিচারক? এসো,
আমরা পান করি এই দারিদ্র ঘোলা মদ
বিষণ্ণ হলে সঙ্গম করতে হয়,সঙ্গম
শেষ হলে মহাশূন্যে নক্ষত্রপথ আমরা
একজন আর- একজনের বিচার করি,
শাস্তি দিই, সংঘটিত অসমাপ্ত খুন
মৃতের পাশে বসে পান করি,জড়ের
পাশে আরও- এক জড়,নি:স্ব ও চুপ
নক্ষত্রপথেও প্রয়োজন হয় মদের,
প্রয়োজন অচেনা স্ত্রীলোক
'ভালোবাসার কি প্রয়োজন হয় না'-- এই
প্রশ্নে হেসে ওঠে দেবীর দুই চোখ।
ফিসফিস করে বলে, বিজয়ীদের দেখেছি আমি একদিন মাতাল অবস্থায়
এসছিল পরাজিতরাও, দু-পক্ষই পালন করে গেছে আগুন ও অন্ধকার
দু-পক্ষই মেয়েদের কাছে গেছে, সেই পানশালা ও স্নানাগার
দরিদ্র মদ কিছুটা বিষণ্ণ হলে বিচারক? এসো,
আমরা পান করি এই দারিদ্র ঘোলা মদ
বিষণ্ণ হলে সঙ্গম করতে হয়,সঙ্গম
শেষ হলে মহাশূন্যে নক্ষত্রপথ আমরা
একজন আর- একজনের বিচার করি,
শাস্তি দিই, সংঘটিত অসমাপ্ত খুন
মৃতের পাশে বসে পান করি,জড়ের
পাশে আরও- এক জড়,নি:স্ব ও চুপ
নক্ষত্রপথেও প্রয়োজন হয় মদের,
প্রয়োজন অচেনা স্ত্রীলোক
'ভালোবাসার কি প্রয়োজন হয় না'-- এই
প্রশ্নে হেসে ওঠে দেবীর দুই চোখ।
No comments:
Post a Comment